⚠️ সতর্কতা!
এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু সুরক্ষিত।
ডেভেলপার টুলস ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সব ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
সেবা খুঁজি
এই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু সুরক্ষিত।
ডেভেলপার টুলস ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
শেষ আপডেট: June 1, 2026
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে বা চলাকালীন একাডেমিক নথিপত্রে ভুলের মুখোমুখি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিচিত সমস্যা। অসাবধানতা বা তথ্যের গরমিলের কারণে অনেক সময়ই রেজিস্ট্রেশন কার্ড, এডমিট কার্ড, মূল সনদপত্র (Certificate) কিংবা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টে শিক্ষার্থীর নিজের নাম অথবা পিতা-মাতার নামের বানানে ভুল থেকে যায়। প্রথম দিকে বিষয়টি সাধারণ মনে হলেও পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা, সরকারি বা বেসরকারি চাকরিতে যোগদান এবং দেশের বাইরে যাওয়ার ভিসা প্রসেসিংয়ের সময় এগুলো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করে। তাই সময় থাকতেই প্রাতিষ্ঠানিক কাগজপত্রগুলো নির্ভুল করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, সনদ বা মার্কশিটের ভুল শুধরে নেওয়ার প্রক্রিয়াটি সরাসরি মূল সনদপত্র দিয়ে শুরু করা যায় না। এর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করতে হয়:
ভিত্তি সংশোধন (রেজিস্ট্রেশন ও এডমিট কার্ড): আপনার এসএসসি (SSC) ও এইচএসসি (HSC) সনদের তথ্যের সাথে মিল রেখে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের পদক্ষেপ নিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন কার্ডের তথ্য ঠিক হওয়ার পর পরীক্ষার প্রবেশপত্র বা এডমিট কার্ড সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়। পর্যায়ক্রমে বাকী একাডেমিক সনদ (মূল সনদ ও নম্বারপত্র) সংশোধন আবেদন প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হবে।
|
৳ ৭০৭/-
|
|---|
|
|
সনদ সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অনেক সময় 'হার্ড কপি রিকোয়ারমেন্ট' বা সরাসরি কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সহজ কথায় এর মানে হলো— আপনি যে সমস্ত তথ্য বা ডকুমেন্টের ওপর ভিত্তি করে সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন, সেই মূল কাগজপত্রগুলোর একসেট ফটোকপি আপনাকে সরাসরি সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার অফিসের নির্দিষ্ট দপ্তরে গিয়ে স্বশরীরে জমা দিয়ে আসতে হবে। মূলত তথ্যের শতভাগ নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্যই কর্তৃপক্ষ এই নিয়মটি অনুসরণ করে থাকেন।




আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং দ্রুত সেবা গ্রহণ করুন।
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন
Amzad Hossenহোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন
মেসেজ করুনসরাসরি কথা বলুন
কল করুনইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন
ইমেইল পাঠান